Canada

  • Posted by: daniel
  • 2017-12-10

Canada

ভ্রমন অথবা বসবাস করার জন্য কানাডা বিশ্বের সেরা দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি দেশ হিসেবে পরিচিত। বিশ্বমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সুন্দর দৃশ্যাবলী, একটি দৃঢ় এবং স্থিতিশীল অর্থনীতি এবং বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর ব্যক্তিদের থাকার খ্যাতি,সব মিলিয়ে কানাডা সত্যিই একটি অসাধারণ দেশ। কানাডার নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য সবচেয়ে সহজ উপায়গুলোর মধ্যে একটি হলো পূর্বে কানাডার ভ্রমন ভিসা থাকা।

বিশ্বের অনেক ধনী এবং পরিশ্রমী ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকেই কানাডাকে ভ্রমনের জন্য বেছে নেন। তাই প্রতি বছর কানাডা প্রচুর পরিমান ভিসা ইস্যু করে থাকে। কানাডা ভ্রমন ভিসা পেতে হলে আপনাকে যে জিনিসটা নিশ্চিত করতে হবে , তা হল যে আপনার কানাডায় ভ্রমন কারার মত যথেষ্ট সামর্থ আছে। তাই কানাডায় ভ্রমনের জন্য আপনাকে পর্যাপ্ত পরিমান অর্থ দেখাতে হবে যা কিনা আপনার নিজ Account এ থাকতে হবে। এছাড়াও কানাডায় বসবাস রত কোন প্রবাশি আপনাকে Sponsor করতে পারবে।

আর একটি বিষয়ে খুবই গুরুত্ব রাখতে হবে যে, আপনার ফাইল টি যেন সঠিক ভাবে এম্বাসিতে সাবমিট করা হয়। অনেকে তারাহুরা করে কিংবা কিছু না যেনে যেমন তেমন ভাবে ফর্ম ফিল আপ করে এম্বাসিতে জমা দেয়। তাই ভিসা নে পেয়ে তার ভিতর খুব বেশি হতাশা কাজ করে। তাই বারবার এম্বাসি ফেইস না করে সঠিক ভাবে একবারে ফাইল প্রসেস করে এম্বাসি ফেইস করা আবশ্যক।

অনেকেই প্রস্ন করে, যে কানাডা কত দিনের ভ্রমন ভিসা ইস্যু করে থাকে! কানাডা সাধারণত যে কয় দিনের জন্য অ্যাপ্লাই করা হয়, সেই কয় দিনের ভিসা দিয়ে থাকে, তবে অনেক সময় পাসপোর্টের যত দিন মেয়াদ আছে। তত দিনের জন্য ভ্রমন ভিসা ইস্যু করে থাকে। কানাডা ভিসার জন্য খুব বেসি ডকুমেন্টের প্রয়োজন হয় না। অন্যান্য ভিসার মত স্বাভাবিক প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সাবমিট করলেই চলে। এছাড়া নিজেই এম্বাসিতে গিয়ে ডকুমেন্ট সাবমিট করা যায় তাই আত্মবিশ্বাস ও অনেক বেশি বেরে যায়। আপনি চাইলে আপনার নির্ধারিত দিনে নির্ধারিত সময়ে এম্বাসি ফেজ করতে পারেন। যেনে রাখা ভালো, কানাডা এম্বাসিতে আপনি ব্যতীত আপনার ফাইল অন্য কেহ জমা দিতে ও উঠাতে পারবে না। তাই প্রতারণার সম্ভাবনা নাই বল্লে ই চলে।

Canada ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সমূহ
➖ ➖ ➖ ➖ ➖ ➖ ➖ ➖ ➖ ➖ ➖ ➖ ➖
– ২ কপি সদ্য তোলা রঙ্গিন ছবি (পাসপোর্ট সাইজ, সাদা বাকগ্রাউন্ড, ম্যাট পেপার ল্যাব প্রিন্ট) ।
– ৬ মাস মেয়াদের পাসপোর্ট।
– পাসপোর্টের ১ ও ২ নং পাতার ফটোকপি (পুরানো পাসপোর্ট থাকলে অবশ্যই তা সাথে নিতে হবে) ।
– জাতীয় পরিচয় পত্র- এর ফটোকপি (বাচ্চাদের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন সনদ-এর ফটোকপি।
– ইংরেজী অক্ষরে ছাপা দুই কপি ভিজিটিং কার্ড ( ব্যবসায়ী ও চাকুরিজীবি উভয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য )।
– ৬ মাস ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও ব্যাংক সল্ভেন্সি সার্টিফিকেট (ব্যাংকের সীল ও স্বাক্ষর সহ অরিজিনাল কপি ও ১ সেট ফটোকপি) ।
– ট্রেড লাইসেন্স –এর ফটোকপি সহ ইংরেজি অনুবাদ ও নোটারাইজড এর অরিজিনাল কপি (ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) ।
– কোম্পানির দুই কপি ইংরেজি অনুবাদ ও নোটারাইজড এর অরিজিনাল কপি ( ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) ।
– সদ্য বিবাহিত ক্ষেত্রে নিকাহ নামা এর ফটোকপি সহ ইংরেজী অবুবাদ ও নোটারাইজড এর অরিজিনাল কপি।
– N.O.C –নো অবজেকশন সার্টিফিকেট এর অরিজিনাল কপি ও ১ সেট ফটোকপি (বেসরকারি চাকুরিজীবীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) ।
– অবসরের কাগজ এর ফটোকপি ইংরেজী অনুবাদ ও নোটারাইজড এর অরিজিনাল কপি (অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ।
– স্টুডেন্ট আইডি কার্ড অথবা সর্বশেষ বেতন রশিদের ফটোকপি (ছাত্র/ ছাত্রীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) ।

এছাড়াও বিস্তারিত জানতে আমাদের কল করুন অথবা  মেইল করুন 📩

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *