USA

  • Posted by: daniel
  • 2017-12-10

USA

আপনি কি আমেরিকা যেতে ইচ্ছুক? অনেকের কাছেই স্বপ্নের শহর আমেরিকা। তবে আমেরিকা যাওয়ার স্বপ্ন দেখে না এমন লোক পাওয়া খুবই দুস্কর।

বর্তমান যুগে বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে তবেই আমেরিকার ভিসা আবেদন করতে হয়। অন্য যেকোন দেশের নাগরিককে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করা ও কাজ করার অনুমতি প্রদান করা হয় ইমিগ্রান্ট ভিসার মাধ্যমে। আমেরিকা বাংলাদেশি নাগরিকদের ৫ বছরের মাল্টিপল ভিসা দিয়ে থাকে। আর এই ভিসা থাকা কালিন সময় আপনি যতবার ইচ্ছা ততবার আমেরিকা যেতে ও আসতে পারবেন। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী, সুন্দর ও সফল দেশের মধ্যে আমেরিকা প্রধান তাই এর ভিসা পাওয়াটাও খুব বেশি আনন্দের ও সম্মানের। আমেরিকার ভিসা পেতে হলে অবশ্যই আপনার ট্রাভেল হিস্ট্রি ভালো থাকতে হবে। আমরা অনেকে সাদা পাসপোর্টে আমেরিকা যাবার স্বপ্ন দেখি যা কিনা একেবারেই অসম্ভাব।

আমেরিকার ভিসা কখন ও কনট্রাকে হয় না। যদি কেউ আপনাকে এই প্রলোভন দেখায় তবে সে মিথ্যা বাদক ও প্রতারক। মনে রাখবেন ভিসা দেবার ক্ষমতা কেবল এম্বাসি বহন করে অন্য কেউ নয়। আবার অনেকে ধারনা পোষণ করেন যে আমেরিকা এম্বাসি ভিসা দেয় না। এমন ধারনা পোষণ করাটা খুবই ভুল। কারন প্রতি বছর প্রচুর পরিমান বাংলাদেশি নাগরিক আমেরিকা ভ্রমন করতে যায় যা কিনা সরাসরি আমেরিকান এম্বাসি ইস্যু করে থাকে।

আমেরিকান এম্বাসি ফেইস করতে হলে আপনাকে পূর্ববর্তিতে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে ও ব্যাংকে এম্বাসি ফি জমা দিতে হবে। তারপর ই কেবল আপনি এম্বাসি ফেইস করতে পারবেন। আর ভিসা পাবার জন্য আপনাকে পর্যাপ্ত পরিমান অর্থ দেখাতে হবে যা কিনা আপনাকে একজন রিয়েল টুরিস্ট বলে প্রমান করতে সক্ষম হবে। কিছু না যেনে, কিংবা যেমন তেমন ভাবে ফাইল প্রসেস করে  এম্বাসিতে জমা দেওয়াটা খুব বোকামি বটে। তাই ফাইল প্রসেস করার আগে অবশ্যই পুরা প্রসেস সম্পর্কে ভালোভাবে যেনে রাখা খুবই দরকার।

আমেরিকা ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সমুহ

=================================

– ৬ মাস মেয়াদের পাসপোর্ট।
– পাসপোর্টের ১ ও ২ নং পাতার ফটোকপি (পুরানো পাসপোর্ট থাকলে অবশ্যই তা সাথে নিতে হবে) ।
– জাতীয় পরিচয় পত্র- এর ফটোকপি (বাচ্চাদের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন সনদ-এর ফটোকপি।
– ২ কপি সদ্য তোলা রঙ্গিন ছবি (পাসপোর্ট সাইজ, সাদা বাকগ্রাউন্ড, ম্যাট পেপার ল্যাব প্রিন্ট) ।
– ইংরেজী অক্ষরে ছাপা দুই কপি ভিজিটিং কার্ড ( ব্যবসায়ী ও চাকুরিজীবি উভয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ।
– ৬ মাস ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও ব্যাংক সল্ভেন্সি সার্টিফিকেট (ব্যাংকের সীল ও স্বাক্ষর সহ অরিজিনাল কপি ও ১ সেট ফটোকপি) ।
– ট্রেড লাইসেন্স –এর ফটোকপি সহ ইংরেজি অনুবাদ ও নোটারাইজড এর অরিজিনাল কপি (ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) ।
– কোম্পানির দুই কপি ইংরেজি অনুবাদ ও নোটারাইজড এর অরিজিনাল কপি ( ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) ।
– সদ্য বিবাহিত ক্ষেত্রে নিকাহ নামা এর ফটোকপি সহ ইংরেজী অবুবাদ ও নোটারাইজড এর অরিজিনাল কপি।
– N.O.C –নো অবজেকশন সার্টিফিকেট এর অরিজিনাল কপি ও ১ সেট ফটোকপি (বেসরকারি চাকুরিজীবীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) ।
– অবসরের কাগজ এর ফটোকপি ইংরেজী অনুবাদ ও নোটারাইজড এর অরিজিনাল কপি (অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ।
– স্টুডেন্ট আইডি কার্ড অথবা সর্বশেষ বেতন রশিদের ফটোকপি (ছাত্র/ ছাত্রীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) ।

ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিত যানতে কিংবা যে কোন ধরনের পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে অথবা Mail করুন 📩

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *