Australia

অস্ট্রেলিয়া ভিসা !

অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মহাদেশ, কিন্তু ৬ষ্ঠ বৃহত্তম দেশ। অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরা। সিডনী অস্ট্রেলিয়ার সবথেকে সুন্দর বৃহত্তম শহর। বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া অন্যতম তাই প্রতি বছরে প্রচুর পরিমান বাংলাদেশি ভ্রমন করতে এই দেশটি বেছে নেয়। বিশ্বের সেরা  শান্তিময়  দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া অন্যতম একটি দেশ। এটি এশিয়ার দক্ষিণ-পূর্বে ওশেনিয়া অঞ্চলে অবস্থিত। স্থিতিশীল অর্থনীতি এবং বিশ্বের ধনি দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া অন্যতম একটি দেশ। অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের খুব কাছের বন্ধু রাষ্ট্রের মধ্যে অন্যতম তাই আমাদের সবারই অস্ট্রেলিয়া ভ্রমনে অনেক বেশি আগ্রহ। সবচেয়ে মজার বিষয় হল কানাডার মত অস্ট্রেলিয়া ও প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশিদের নাগরিকত্ব দিয়ে থাকে। তাই কানাডার মত অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশিদের জন্য স্বর্গের রাজ্যের মধ্যে অন্যতম একটি দেশ।

বিশ্বের অনেকেই প্রতি বছর অস্ট্রেলিয়াকে ভ্রমনের জন্য বেছে নেন। তাই প্রতি বছর অস্ট্রেলিয়া প্রচুর পরিমান ভিজিট ভিসা ইস্যু করে থাকে। তাই অস্ট্রেলিয়ার ভিজিট ভিসা পেতে হলে আপনাকে একজন সত্যিকারের ভিজিটর হওয়া খুব বেশি আবশ্যক। আর এই জন্যই আপনার পূর্বের ভ্রমন হিস্ট্রিটা ভাল থাকা খুব বেশি প্রয়োজন। অস্ট্রেলিয়া ভ্রমন ভিসা পেতে হলে আপনাকে যে জিনিসটা নিশ্চিত করতে হবে,  তা হল যে আপনার অস্ট্রেলিয়া ভ্রমন কারার মত যথেষ্ট সামর্থ আছে। তাই অস্ট্রেলিয়া ভ্রমনের জন্য আপনাকে পর্যাপ্ত পরিমান অর্থ দেখাতে হবে যা কিনা আপনার নিজ Account এ থাকতে হবে।

আমরা অনেকে স্পন্সার ভিসা কিংবা ভ্রমন ভিসার জন্য অ্যাপ্লাই করতে ইছুক হই কিন্তু সঠিক ভাবে ফাইল প্রসেস করতে না পারায় ভিসা পাই না কিংবা ২য় বার অ্যাপ্লাই করি। তাই সঠিক ভাবে ফাইল প্রসেস করাটা খুব বেশি জরুরি ।

অস্ট্রেলিয়া ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সমূহ
➖ ➖ ➖ ➖ ➖ ➖ ➖ ➖ ➖ ➖ ➖ ➖ ➖
– ২ কপি সদ্য তোলা রঙ্গিন ছবি (পাসপোর্ট সাইজ, সাদা বাকগ্রাউন্ড, ম্যাট পেপার ল্যাব প্রিন্ট) ।
– ৬ মাস মেয়াদের পাসপোর্ট।
– পাসপোর্টের ১ ও ২ নং পাতার ফটোকপি (পুরানো পাসপোর্ট থাকলে অবশ্যই তা সাথে নিতে হবে) ।
– জাতীয় পরিচয় পত্র- এর ফটোকপি (বাচ্চাদের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন সনদ-এর ফটোকপি।
– ইংরেজী অক্ষরে ছাপা দুই কপি ভিজিটিং কার্ড ( ব্যবসায়ী ও চাকুরিজীবি উভয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য )।
– ৬ মাস ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও ব্যাংক সল্ভেন্সি সার্টিফিকেট (ব্যাংকের সীল ও স্বাক্ষর সহ অরিজিনাল কপি ও ১ সেট ফটোকপি) ।
– ট্রেড লাইসেন্স –এর ফটোকপি সহ ইংরেজি অনুবাদ ও নোটারাইজড এর অরিজিনাল কপি (ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) ।
– কোম্পানির দুই কপি ইংরেজি অনুবাদ ও নোটারাইজড এর অরিজিনাল কপি ( ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) ।
– সদ্য বিবাহিত ক্ষেত্রে নিকাহ নামা এর ফটোকপি সহ ইংরেজী অবুবাদ ও নোটারাইজড এর অরিজিনাল কপি।
– N.O.C –নো অবজেকশন সার্টিফিকেট এর অরিজিনাল কপি ও ১ সেট ফটোকপি (বেসরকারি চাকুরিজীবীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) ।
– অবসরের কাগজ এর ফটোকপি ইংরেজী অনুবাদ ও নোটারাইজড এর অরিজিনাল কপি (অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ।
– স্টুডেন্ট আইডি কার্ড অথবা সর্বশেষ বেতন রশিদের ফটোকপি (ছাত্র/ ছাত্রীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) ।

এছাড়াও বিস্তারিত জানতে আমাদের কল করুন অথবা  মেইল করুন 📩