korea

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে জাপানে বসবাস করতে প্রচুর পরিমাণ লোক পাড়ি জমায় এবং স্থায়ীভাবে বসবাস করতে যাওয়া বাংলাদেশির সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। বর্তমানে জাপানের অর্থনীতি বিশ্বের মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম। তবে সে তুলনায় লোকবল দিনদিনই কমছে। বিশ্ব জনসংখ্যা রিভিউ রিপোর্ট -২০১০ অনুযায়ী, জাপানের জনসংখ্যা গত ৫ বছরেই কমে গেছে প্রায় ১০ লাখ। এ পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে, তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো থেকে দক্ষ জনশক্তিকে জাপানে চাকরি ও শিক্ষা অর্জনে উৎসাহিত করতে উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার । আর এই  তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, মালয়েশিয়া, নেপাল, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইনের মতো দেশগুলো ।

প্রতিনিয়ত জাপানে প্রচুর পরিমাণ টুরিস্ট বাড়ছে তাই আমরা অনেকে জাপান ভ্রমণে আগ্রহী। জাপানের টুরিস্ট ভিসা পেতে হলে সঠিক ভাবে ফাইল প্রসেস করা খূব বেশি দরকার কারণ প্রথম বাড়  ভিসা ণা পেলে, ৬ মাস অতিক্রম না করলে পূনরায় ভিসার জন্য আবেদন করলে, এম্বাসি ভিসা প্রদান করে না । তাই অতিরিক্ত  ৬ মাস বেশি অপেক্ষা করতে হয়। আর এই জন্য সঠিক ভাবে ফাইল প্রসেস করার বিষয়টিকে আমরা অধিক  গুরুত্ব দিয়ে থাকি।

জাপানের ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সমুহ
==========================
– ৬ মাস মেয়াদের পাসপোর্ট।
– পাসপোর্টের ১ ও ২ নং পাতার ফটোকপি (পুরানো পাসপোর্ট থাকলে অবশ্যই তা সাথে নিতে হবে) ।
– জাতীয় পরিচয় পত্র- এর ফটোকপি (বাচ্চাদের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন সনদ-এর ফটোকপি।
– ২ কপি সদ্য তোলা রঙ্গিন ছবি (পাসপোর্ট সাইজ, সাদা বাকগ্রাউন্ড, ম্যাট পেপার ল্যাব প্রিন্ট) ।
– ইংরেজী অক্ষরে ছাপা দুই কপি ভিজিটিং কার্ড ( ব্যবসায়ী ও চাকুরিজীবি উভয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ।
– ৬ মাস ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও ব্যাংক সল্ভেন্সি সার্টিফিকেট (ব্যাংকের সীল ও স্বাক্ষর সহ অরিজিনাল কপি ও ১ সেট ফটোকপি) ।
– ট্রেড লাইসেন্স –এর ফটোকপি সহ ইংরেজি অনুবাদ ও নোটারাইজড এর অরিজিনাল কপি (ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) ।
– কোম্পানির দুই কপি ইংরেজি অনুবাদ ও নোটারাইজড এর অরিজিনাল কপি ( ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) ।
– সদ্য বিবাহিত ক্ষেত্রে নিকাহ নামা এর ফটোকপি সহ ইংরেজী অবুবাদ ও নোটারাইজড এর অরিজিনাল কপি।
– N.O.C –নো অবজেকশন সার্টিফিকেট এর অরিজিনাল কপি ও ১ সেট ফটোকপি (বেসরকারি চাকুরিজীবীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) ।
– অবসরের কাগজ এর ফটোকপি ইংরেজী অনুবাদ ও নোটারাইজড এর অরিজিনাল কপি (অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ।
– স্টুডেন্ট আইডি কার্ড অথবা সর্বশেষ বেতন রশিদের ফটোকপি (ছাত্র/ ছাত্রীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) ।

জাপানের মত কোরিয়া ও বেস সফল ও সম্রিধি শালি একটি দেশ । তাই দিনে দিনে বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিয়ত কোরিয়াতে প্রবাসীর সংখ্যা বেরে চলছে। বাংলাদেশী নাগরিকদেরকে দক্ষিণ কোরিয়া স্টুডেন্ট ভিসা, ভিসিট ভিসা, বিজনেস ভিসা, জব ভিসা দিয়ে থাকে। ভিসা প্রসেসিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকলে আপনিও কোরিয়ান ভিসার জন্য আপ্লাই করতে পারবেন। কোরিয়ার ভিসা পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই ২-৩ টা দেশ ভ্রমন করা থাকতে হবে আর এর সাথে ব্যক্তিগত সর্বশেষ ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট ভালো থাকাটা ও খুব বেশি প্রয়োজন।

কোরিয়ান দূতাবাস রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা – সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আবেদনপত্র গ্রহণ করে । সাধারণত সাত দিনেই ভিসা প্রসেসিং সম্পন্ন হয়ে যায়। তবে অনেক সময় বিভিন্ন কারণে দেরিও হতে পারে। তবে ভয়ের কোন কারন নেই, কারন ভিসার কার্যক্রম সম্পন্ন হলে ভিসা সেকশন থেকে ডেলিভারী নেওয়ার জন্য ফোন করে যোগাযোগ করা হয়। কোরিয়ান ভিসার জন্য নিজ নিজ ফাইল নিজেকেই জমা দিতে হয় তাই আত্তবিসসা ও বেরে যায়।

কোরিয়ান ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য আরো যা লাগবেঃ
====================
– ভিসা রিকোয়েস্টিং লেটার
– কোরিয়ার ভ্রমণ পরিকল্পনা
– বিমান টিকেটের বুকিং স্লিপ
– হোটেল বুকিং স্লিপ/ যেখানে থাকবেন তার ঠিকানা এবং ওখানে যে থাকবেন তার প্রমাণপত্র
– ব্যক্তিগত অথবা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক স্টেটমেন্ট (সর্বশেষ ছয় মাস)
– আবেদনকারীর প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক সনদপত্র অথবা ট্রেড লাইসেন্স (যদি থাকে)
– আবেদনকারীর ইনকাম ট্যাক্স সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
– আবেদনকারীর প্রতিষ্ঠান থেকে কাজে নিয়োগের ইপ্লয়মেন্ট সার্টিফিকেট
– আমন্ত্রণপত্র এবং কোরিয়ায় সাপোর্ট সার্টিফিকেট (যদি থাকে)

 জাপান ও কোরিয়ান ভিসা সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য জানতে ফোন অথবা মেইল করুন 📩